কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে আবারও ইয়াবার চালান আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এক অভিযানে বিজিবির জীম্বংখালী বিওপি মালিকবিহীন অবস্থায় ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ জুন ২০২৫) সন্ধ্যায় মায়ানমার সীমান্তবর্তী মঘেরগোদা এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। টহল চলাকালে মিয়ানমার থেকে আসা এক চোরাকারবারিকে বিজিবি সদস্যরা চিহ্নিত করে ধাওয়া করলে সে সীমান্ত পেরিয়ে পালিয়ে যায়। তবে ঘটনাস্থল থেকে একটি পলিথিন মোড়ানো বায়ুরোধী প্যাকেট উদ্ধার করা হয়, যার ভেতর পাওয়া যায় ২০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট।
বিজিবি সূত্র জানায়, ৬৪ বিজিবির অধীনস্থ জীম্বংখালী বিওপির একটি বিশেষ টহলদল অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, পিএসসি এর পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সীমান্ত এলাকায় টহলে নামে। টহল চলাকালে তারা বিওপি থেকে আনুমানিক ২.৫ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে মঘেরগোদা এলাকায় সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে মায়ানমার দিক থেকে আসতে দেখে। বিজিবি সদস্যরা ধাওয়া করলে ওই ব্যক্তি দ্রুত পালিয়ে যায়।
পরে টহল দল ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে একটি পোটলা উদ্ধার করে, যার ভেতরে ছিল দুইটি বায়ুরোধী প্যাকেট—প্রত্যেকটিতে ১০ হাজার করে মোট ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট।
অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে উখিয়া ব্যাটালিয়ন ৬৪ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বলেন, “সীমান্ত দিয়ে মাদক ঢোকার যেকোনো চেষ্টাই আমরা কঠোরভাবে দমন করি। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে বিজিবি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আরও বলেন, বিজিবি চোরাচালান ও মাদক নির্মূলে শুধু অভিযান নয়, স্থানীয় জনগণের সহায়তা নিয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রমও চালিয়ে যাচ্ছে।
চোরাকারবারিকে চিহ্নিত করার জন্য গোয়েন্দা তৎপরতা চলছে। এই চক্রের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের ধরতে এলাকায় নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেট টেকনাফ মডেল থানায় আলামত হিসেবে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।