মিয়ানমার-বাংলাদেশ ঘুমধুম সীমান্তে ৩৪ বিজিবির অভিযানে ১ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারসহ এক রোহিঙ্গা যুবক আটক করা হয়েছে। আটককৃত ব্যক্তি হলেন, মোঃ শহিদ (১৯)। তিনি উখিয়ার এফডিএমএন ক্যাম্প-০৮ (ইস্ট)-এর বি/৭৪ ব্লকের বাসিন্দা রোহিঙ্গা শরণার্থী হোসেন আহম্মেদের ছেলে।
আলো ফোটার আগেই ঘুমধুম সীমান্ত পেরোনোর চেষ্টা করছিল এক যুবক। কাঁধে ঝোলানো ব্যাগ যেন তার সব স্বপ্নের ভার। কিন্তু সে জানত না, সীমান্তের গা ছমছমে নির্জনতা ভেদ করে তার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে বিজিবির একটি দল।
শনিবার (২১ জুন) ভোর ৬টায় কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম, পিএসসি এর নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল অভিযান চালায় ঘুমধুম সীমান্তের জামালের ঘের নামক স্থানে। নিজেদের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত ছিল তারা।
এ সময় দেখা যায়, এক যুবক দ্রুত গতিতে অগ্রসর হচ্ছে। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে সে দৌঁড় দেয়, কিন্তু খুব বেশি দূর যেতে পারেনি। ব্যাগ ফেলে পালানোর চেষ্টায় ধরা পড়ে যায় তার প্রকৃত রূপ।
বিজিবি সদস্যরা ব্যাগটি তল্লাশি করে ভেতরে খুঁজে পান ১ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট। যার বাজার মূল্য কোটি টাকার বেশি। এরপর শুরু হয় আইনি প্রক্রিয়া। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটককৃত আসামীকে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় মামলা দায়ের করতঃ পুলিশের নিকট হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ৩৪ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম, পিএসসি। তিনি বলেন- “সীমান্ত দিয়ে ইয়াবাসহ যেকোনো ধরনের অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা তৎপর রয়েছে। মাদক নির্মূল আমাদের অগ্রাধিকার। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, আমরা চাই কক্সবাজারসহ সমগ্র দেশের সীমান্ত এলাকা মাদকমুক্ত থাকুক। দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করতে মাদকবিরোধী কার্যক্রম আরও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।