উখিয়া দারোগা বাজারের অভিনাশ চন্দ্র আইচ এর পুকুর সংক্রান্ত গত তারিখে দৈনিক পত্রিকার প্রকাশিত সংবাদ আমার গোচরে আসে। আমি মৃদুল আইচ, পিতা অভিনাশ চন্দ্র আইচ, সাং উখিয়া সদর দারোগা বাজার ওয়ালাপালং মৌজা ৬ নং ওয়ার্ডের রাজা পালং ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা হয়। আমার পুকুর সংক্রান্ত ১৫ ই জানুয়ারী দৈনিক কক্সবাজার বার্তা পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদটি সম্পুর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য। আমি তার তিব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমার পুকুর টি নাল জমি যা অভিনাশ চন্দ্র আইচের নামে। আমি বা আমরা পৈত্রিক সুত্রে সম্পদের উত্তরাধিকারী হই। প্রতিবছর সরকারি রাজস্ব ভুমি খাজনা ও কর প্রদান করে আসছি।
মোসলেম উদ্দিনের পরিবারের সাথে হিন্দু সম্প্রদায়ের শশ্মানের জায়গা নিয়ে সমস্যা কারনে যেহেতু আমি উখিয়া দারোগা বাজার সমাজ শশ্মান, ভৈরব ও দূর্গা মন্দির পরিচালনা পরিষদের সভাপতি, সে আমার ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্য নিয়ে ফেইসবুকে মিথ্যা বানোয়াট লিখা পোস্ট করছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের শশ্মানের জায়গায় জোর পূর্বক দখল করে আছে মোসলেম উদ্দিন ও তার পরিবার। কিছু দিন পূর্বে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, ভূমি কমিশনার সহ সরকারি বিভিন্ন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বিদ্যমান শশ্মানের জায়গার সমাধান করেন। যা মোসলেম উদ্দিন, সাব উদ্দিন সহ তাদের পরিবার স্বাক্ষর করেন। সমঝোতা পত্রে তারা ইউএনও মহোদয়ের বিচার মেনে নেন।
কিন্তু তারপর পর তারা আবার নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করেন। দারোগা বাজারের বসবাসরত হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন ব্যক্তির নামে তারা অনলাইনে ও স্থানীয় তাদের কিছু পত্রিকায় ভুল, মিথ্যা, বানোয়াট, তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে।
এই বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা রবিন্দ্র দাশ রবি -সাধারণ সম্পাদক উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ, সাংবাদিক রতন দে- সাধারণ সম্পাদক উখিয়া দারোগা বাজার সমাজ শশ্মান, ভৈরব ও দূর্গা মন্দির পরিচালনা পরিষদ, হারাধনের চক্রবর্তি পুরোহিত , সম্মানিত উপদেষ্টা মুকুন্দ প্রসাদ রুদ্র বলেন, যথা সম্ভব মোসলেম উদ্দিন শশ্মানের জায়গায় দখল
করায় তার উপর জীন ভর করছে। না হলে তিনি ভুংভাং কথা বলছেন কেন। তার চিকিৎসা করাতে পরামর্শ দেন। শশ্মানের জায়গা নিয়ে তাদের পরিবারের সমস্যা ব্যক্তিগত ভাবে তাদের সাথে কোন হিন্দু সম্প্রদায়ের কোন ব্যক্তির সমস্যা নাই।
শশ্মান, কবরস্থান, মসজিদ, মন্দিরের জায়গা কারো ব্যক্তিগত নয়। তাই যে কেউ চাইলে তা জোর পূর্বক ভোগ দখল করতে পারে না।
শশ্মান,কবরস্থান হলে মানুষের শেষ ঠিকানা ভূমি দস্যুরা এখন এই জায়গা ও বাদ দিচ্ছে না। দারোগা বাজারের সনাতনী সম্প্রদায় সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছেন, মোসলেম উদ্দিনের মানহানিকর ভুয়া তথ্য ও অবৈধ ভাবে শশ্মানের জায়গা দখলের যেন শাস্তি হয়।