শিক্ষার্থীরা শিখবে যত একীভূত শিক্ষায়!
২০২৩ সাল থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্তও কোনও পরীক্ষা থাকছে না। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণিতে ১০টি বিষয় প্রবর্তন করা হলেও বিজ্ঞান, মানবিক ও বিজনেস স্টাডিজ বলতে মাধ্যমিকে কোনও বিভাগ থাকবে না। এটি চালু হবে এইচএসসিতে। কেবল দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচির ওপরই বোর্ড পরীক্ষায় এসএসসির ফল হবে। একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণি শেষে আলাদা দু’টি বোর্ড পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে হবে এইচএসসির ফল।
এক্ষেত্রে চতুর্থ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ৪০ শতাংশ এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে ৩০ শতাংশ মূল্যায়ন হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।
বর্তমানে মাধ্যমিক পর্যায়ে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষাক্রম সারাদেশে ৬১টি স্কুল ও মাদ্রাসায় পাইলটিং চলছে। এরপর ২০২৩ সালে সপ্তম শ্রেণির পাইলটিং শুরু হবে। ২০২৪ সালে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি এবং অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে পাইলটিং হবে। ২০২৫ সালে পঞ্চম ও দশম শ্রেণি যুক্ত হবে। ২০২৬ সালে একাদশ ও ২০২৭ সালে দ্বাদশ শ্রেণি যুক্ত হবে।
পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষা বাদ দিয়ে কেবল এসএসসি ও এইচএসসিতে দু’টি বোর্ড পরীক্ষা রেখে শিক্ষাক্রমের নতুন রূপরেখার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে আন্তঃমন্ত্রণালয়।
নতুন শিক্ষাক্রমে প্রাক্-প্রাথমিক থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ১০ ধরনের শেখার ক্ষেত্র ঠিক করা হয়েছে। এগুলো হলো- ভাষা ও যোগাযোগ, গণিত ও যুক্তি, জীবন ও জীবিকা, সমাজ ও বিশ্ব নাগরিকত্ব, পরিবেশ ও জলবায়ু, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা, মূল্যবোধ ও নৈতিকতা এবং শিল্প ও সংস্কৃতি।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাপ্তাহিক ছুটি দুদিন ঠিক রেখেই জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রূপরেখা অনুযায়ী ২০২৩ সাল থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুদিন ছুটি থাকবে।
( সংগৃহীত)।