কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে। সেগুলো কৌশলে নেওয়া হচ্ছিল কক্সবাজার কলাতলী এলাকার একটি হোটেলে। রোহিঙ্গা শিবির থেকে কক্সবাজারে নেওয়ার পথে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এমনই একটি ইয়াবার চালান জব্দসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে উখিয়া থানা পুলিশ সদস্যরা।
গতকাল বৃহস্পতিবার ৩০ জুন রাত ১০টার দিকে উখিয়ার মরিচ্যা গরুবাজার এলাকায় উখিয়া থানা পুলিশ সদস্যরা একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় অভিযান চালিয়ে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করে, ক্যাম্পে তালিকাভুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ী ও রোহিঙ্গা আবু ছৈয়দকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উখিয়া থানার পুলিশ জানায়, আবু ছৈয়দের নেতৃত্বে পাঁচজনের একটি দল ইয়াবা নিয়ে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় গরুবাজার সড়ক হয়ে কক্সবাজার শহরের দিকে যাচ্ছিল। উখিয়া থানার পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মরিচ্যা গরুবাজার এলাকায় আগেই অবস্থান নেয়। পরে ওই অটোরিকশাটি আটকে পুলিশ পেছনের সিটে বসা আবু ছৈয়দকে আটক করলেও অন্য চার যাত্রী দৌড়ে জঙ্গলে পালিয়ে যান। তখন পুলিশ ছৈয়দের দেহ তল্লাশি করে দেড় কোটি টাকা মূল্যের ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। আটক আবু ছৈয়দ কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প সি/ব্লকের ১ নম্বর শেডের বাসিন্দা।
উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, গ্রেপ্তার আবু ছৈয়দের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, গতকাল দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের মরিচ্যা বাজার ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে অটোরিকশা থেকে পালিয়ে যাওয়া দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁরা হলেন মরিচ্যাবাজারের শাহেব মিয়া ওরফে নয়ন (২৪) ও মো. আকরাম (১৯)। পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে । ইয়াবা চোরাচালান মামলায় জড়িত পাঁচজনের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে গ্রেপ্তার তিনজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার তিনজনকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ইয়াবা চোরাচালানের মূল হোতাদের শনাক্ত করার চেষ্টা চালাবে পুলিশ। রিমান্ডের জন্য আদালতে আবেদন করবে পুলিশ।