কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৃথক ৩টি ঘটনায় একজন রোহিঙ্গা নিহত এবং অন্তত চারজন আহত হয়েছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৩ মে) রাতে ১৯ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পরকীয়ার জের ধরে নিজের স্ত্রী রেহেনা (২৯)কে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে ৷ ঘটনার পর স্বামী নুরুল ইসলাম (৩১) গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷
একদিন দুপুরে ১৫নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পারিবারিক কলহের জের ধরে কিল-ঘুষিতে আহত হয় সাব মাঝি মো. আজি মোল্লাহ। এ ঘটনার পর থেকে মো আলি জুহর পলাতক আছেন৷
মঙ্গলবার দুপুরে কুতুপালং হিন্দু ক্যাম্পে পারিবারিক কলহের জের ধরে মারামারির একপর্যায়ে ৩ জন আহত হয়েছেন৷ তারা হলেন মম্বাশীল ছেলে সজল শীল (১৯), মৃত মহেন্দ্র শীল ছেলে বলরাম শীল (৭২), বলরাম শীল ছেলে সুদর্শন শীল (২৪)৷ এসময় ঘটনাস্থল থেকে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। তারা হলেন জগদীশ পাল (৩২), রাশিক কুমার পাল (২২), পরশুরাম (২৬), রিপন (২৫)।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আইনশৃঙ্খলায় নিয়োজিত ৮ এপিবিএনের অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত) পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি জানান, আজ রাতে স্বামীর সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে স্ত্রীকে ছুরিকাঘাত করে স্বামী পালিয়ে যায়৷ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে উখিয়া থানায় নিয়ে যায়৷ একদিন পৃথকভাবে দুটি ঘটনায় আরও ৪ জন আহত হয়েছেন৷ তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে৷
তিনি আরও জানান, ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে ক্যাম্প এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
উখিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আরিফ হোসেইন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ছুরিকাঘাতে নিহত এক রোহিঙ্গা নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে৷ ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন৷ পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।