চট্টগ্রাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আলোচিত অপহরণ, ধর্ষণ ও হত্যা মামলার এজাহারনামীয় তিন পলাতক আসামিকে পৃথক তিনটি অভিযানে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭।
গত ১৩ ও ১৪ জুন রাতভর চট্টগ্রাম মহানগরীর চান্দগাঁও ও পাঁচলাইশ থানার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। র্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এসব অভিযানে চাঞ্চল্যকর নারী ও শিশু নির্যাতন এবং হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের অবস্থান চিহ্নিত করে র্যাব সদস্যরা তাদেরকে গ্রেফতার করেন
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন- বাবুল বিশ্বাস (২৩) পিতা-মৃত রাখাল বিশ্বাস, সাং-বাণিকগ্রাম, থানা-বাঁশখালী, জেলা-চট্টগ্রাম। তিনি চান্দগাঁও থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী-২০২০) এর ৭/৯(১) ধারায় দায়ের হওয়া মামলার পলাতক এজাহারনামীয় আসামি। গত ১৩ জুন বিকেলে চান্দগাঁও থানাধীন সোলাইমান সোসাইটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে র্যাব-৭। ২। কুদ্দুস মিয়া (৩৭) পিতা-মৃত তোতা মিয়া, সাং-সোনাতলা, থানা-নাসিরনগর, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া। তিনি নাসিরনগর থানার আলোচিত জুর আলী মিয়া হত্যা মামলার ৮নং এজাহারনামীয় পলাতক আসামি (মামলা নং-০৬, তারিখঃ ০৬ মে ২০২৫, ধারা: ১৪৩/৩০২/৩৪ পেনাল কোড)। তাকে ১৪ জুন রাত দেড়টার দিকে পাঁচলাইশ থানাধীন হামজা খাঁ লেইন এলাকায় গ্রীন বাংলাদেশ মডেল স্কুল সংলগ্ন এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। ৩। নজরুল ইসলাম ওরফে নজরুল মিয়া (৪০) সাং-সোনাতলা, থানা-নাসিরনগর, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া; পিতা-মৃত তোতা মিয়া। তিনি একই মামলার ১১নং এজাহারনামীয় আসামি। কুদ্দুস মিয়ার স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ওই রাতেই পাঁচলাইশ থানাধীন হামজারবাগ শাহনাজ ভবন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকেও গ্রেফতার করা হয়।
চট্টগ্রাম র্যাব-৭-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান বলেন,”র্যাব শুরু থেকেই অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। বিশেষ করে নারী ও শিশু নির্যাতন ও হত্যার মতো অপরাধে জড়িত পলাতক আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। জনগণের জানমাল রক্ষায় র্যাবের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধী যতই চতুর হোক, আইনের হাত থেকে কেউই রেহাই পাবে না।”
গ্রেফতারকৃত তিন আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে র্যাব জানিয়েছে।