কক্সবাজারের টেকনাফে অভিযান চালিয়ে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ও একটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকা জব্দ করেন র্যাব-১৫।
সোমবার (৩০ জুন) সন্ধ্যায় র্যাব-১৫ এর সিপিসি-১, টেকনাফ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার কাজী মোঃ নাদিয়ান এর নেতৃত্বে একটি চৌকস আভিযানিক দল টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের জাহাজপুরা মেরিন ড্রাইভ এলাকার একটি ঘাটে অভিযান চালিয়ে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ও একটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকা জব্দ করা হয়।
র্যাব জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, উক্ত ঘাট এলাকায় মিয়ানমার থেকে আসা ইয়াবার একটি বড় চালান ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে পাচারকারীরা অবস্থান করছে। র্যাবের আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে অভিযানের সময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা নৌকা থেকে লাফিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়। তবে তাদের ব্যবহৃত কাঠের নৌকা ও ইয়াবা ফেলে যায়।
অভিযানের সময় কোনো আসামিকে আটক করা সম্ভব হয়নি, তবে তাদের শনাক্তে র্যাবের গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ও কাঠের নৌকা জব্দ করে স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তালিকা প্রস্তুত করা হয় এবং অজ্ঞাতনামা নৌকার মাঝি সহ ৪-৫ জন মাদক কারবারীর বিরুদ্ধে “মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮” এর ৩৬(১) এর সারণির ১০(গ)/৩৮/৪১ ধারায় টেকনাফ মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হবে।
কক্সবাজার র্যাব-১৫ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মোঃ কামরুল হাসান বলেন,“মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে র্যাব-১৫ ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। আমরা নিয়মিত অভিযান চালিয়ে বড় বড় মাদকের চালান জব্দ করছি। এই অভিযানে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে গেলেও তাদের ব্যবহৃত নৌকা ও বিপুল পরিমাণ ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আটক করতে। আটকের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং শিগগিরই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।