কক্সবাজারের টেকনাফে বিজিবির অভিযানে বসতঘর থেকে ৮১ হাজার ৩৫৫ পিস ইয়াবা ও নগদ এক লাখ এক হাজার ৯৭০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে বাড়ির গৃহবধূ রুজিনা আক্তারকে আটক করা হলেও মূল অভিযুক্ত সোনা মিয়া বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়।
মঙ্গলবার (৯ জুলাই) দিবাগত রাতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর একটি বিশেষ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের হাতিয়ার ঘোনা করাচিপাড়ায় অভিযান চালায়।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, মিয়ানমার থেকে সাগরপথে মাদকের বড় একটি চালান এনে সোনা মিয়ার বাড়িতে মজুত করা হয়েছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। পরে অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি’র নেতৃত্বে বিজিবির একাধিক দল করাচিপাড়ার বাড়িটি ঘিরে ফেলে।
রাত আনুমানিক ১টা ২০ মিনিটের দিকে লে. কমান্ডার সাদিক রাফির নেতৃত্বে টহল দলটি ওই বাড়িতে প্রবেশ করে তল্লাশি চালায়। এ সময় ঘরের ভেতর থেকে ৮১,৩৫৫ পিস ইয়াবা ও নগদ ১,০১,৯৭০ টাকা উদ্ধার করা হয়। বাড়ির গৃহবধূ রুজিনা আক্তারকে ঘটনাস্থল থেকেই আটক করা হয়।
আটককৃত রুজিনা আক্তার (৩৯), পিতা- ফরিদ আহমদ, গ্রাম- হাতিয়ার ঘোনা, পোস্ট- মিঠাপানিরছড়া, থানা- টেকনাফ, জেলা- কক্সবাজার। পলাতক সোনা মিয়া (৩৭), পিতা- মৃত আব্দুর রশিদ, একই এলাকার বাসিন্দা।
বিজিবি জানায়, উদ্ধারকৃত ইয়াবা ও নগদ অর্থসহ আটক নারীকে টেকনাফ থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পলাতক সোনা মিয়াকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান বলেন, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ও মাদক নির্মূলে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে। ভবিষ্যতেও এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।