কক্সবাজারের টেকনাফে অবস্থিত ৭টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিশেষ যৌথ অভিযান চালিয়ে মাদক, জুয়া ও ওয়ারেন্টভুক্ত মামলায় ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। অভিযানে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১৭৪ গ্রাম নষ্ট ইয়াবা, জুয়ার সামগ্রী, একটি স্মার্টফোন ও নগদ ৬৫০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) দুপুর ২টা থেকে সন্ধা ৬টা পর্যন্ত টানা ৪ ঘন্টার অভিযানে, ১৬ এপিবিএনের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ কাউছার সিকদারের নেতৃত্বে চাকমারকুল ক্যাম্প-২১,উনচিপ্রাং ক্যাম্প-২২, লোদা ক্যাম্প-২৪, আলিখালী ক্যাম্প-২৫, শালবন ক্যাম্প-২৬, জাদিমুড়া ক্যাম্প-২৭ ও নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড ক্যাম্পে এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে অংশ নেয় ১৬ এপিবিএন, জেলা পুলিশ, ২ বিজিবি, র্যাব ১৫ ও আনসার ব্যাটালিয়ন।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, ১। উখিয়ার বালুখালী ৮নং ক্যাম্পের মোঃ আলমের ছেলে জয়নাল উদ্দিন (২৭), ২। হ্নীলা ৮নং ওয়ার্ডের আমির হোসেনের ছেলে নুরুল আলম (৫৮), ৩। লেদা ২৪নং ক্যাম্পের নুর সালামের ছেলে মোহাম্মদ রহিম (২০), ৪। একেই ক্যাম্পের মকতুল হোসেনের ছেলে জাহাঙ্গীর (১৮), ৫। হামিদুল ইসলামের ছেলে আনোয়ার ফয়সাল (২১), ৬। বশির করিমের ছেলে আব্দুল করিম (২০), এছাড়া ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ৭। নয়াপাড়া এক্সটেনশনের মৃত আঃ সালামের ছেলে মোঃ কবির মাঝি (৪৫), ও ৮। নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের মোঃ ফারুকের স্ত্রী ছেনোয়ারা বেগম (৪৫)।
১৬ এপিবিএন অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ কাউছার সিকদার বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে মাদক পাচার, জুয়া, অস্ত্র ব্যবসা ও অন্যান্য সংঘবদ্ধ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। কোনো অপরাধীই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে যেতে পারবে না। চিহ্নিত অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।