নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে দায়েরকৃত ধর্ষণ মামলার তিনজন পলাতক এজাহারনামীয় আসামীকে পৃথক তিনটি অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম।
গতকাল রবিবার (২০ জুলাই) রাতে চট্টগ্রামের বাকলিয়া, জোরারগঞ্জ ও ফেনীর ছাগলনাইয়া এলাকায় এ অভিযানগুলো পরিচালিত হয়।
র্যাব-৭ সূত্রে জানা যায়, প্রথম অভিযানটি পরিচালিত হয় চট্টগ্রাম মহানগরীর বাকলিয়া থানা এলাকায়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বাঁশখালী থানায় দায়েরকৃত ধর্ষণ মামলার (মামলা নং-১০, তারিখ-০৬ মে ২০২৫ ইং, ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর ৯(১)) ১নং এজাহারনামীয় পলাতক আসামী মোঃ শহিদুল ইসলাম (পিতা- শফি আলম, সাং- উত্তর জলদী, থানা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম) কে গ্রেফতার করা হয়।
দ্বিতীয় অভিযানে চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানার বারইয়ারহাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ফেনী সদর থানার ধর্ষণ ও অপহরণ মামলার (মামলা নং-১৪, তারিখ-১২ জুন ২০২৫, ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এবং দণ্ডবিধি ৪৬৫/৪৬৭/৪৭১) ১নং এজাহারনামীয় পলাতক আসামী রুকসানা পারভীন লিনা (৩৫), স্বামী- জিয়া উদ্দিন ওরফে মজনু, সাং- দৌলতপুর, থানা- ছাগলনাইয়া, জেলা- ফেনী’কে গ্রেফতার করা হয়।
রুকসানা পারভীন লিনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তৃতীয় অভিযানটি পরিচালিত হয় ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া থানাধীন দৌলতপুর এলাকায়। অভিযান চালিয়ে একই মামলার ২নং এজাহারনামীয় আসামী শাহাদাৎ হোসেন ওরফে মিন্টু মেম্বার (৭৩), পিতা- মৃত নুরুল আমিন, সাং- দৌলতপুর, থানা- ছাগলনাইয়া, জেলা- ফেনী’কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব-৭।
চট্টগ্রাম র্যাব-৭ অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান বলেন, “নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো বর্বর ও ঘৃণ্য অপরাধের আসামিদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় র্যাব সর্বদা সজাগ ও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের অন্যতম অঙ্গীকার।