কক্সবাজারের টেকনাফে সীমান্তবর্তী নাফ নদীতে অভিযান চালিয়ে ৩০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এসময় তিন পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এ অভিযান পরিচালনা করে।
বিজিবি জানায়, দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি’র নেতৃত্বে নাফ নদীর নাজিরপাড়া সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এসময় মিয়ানমারের মুংডু খাল থেকে আসা একটি জেলে নৌকা সীমান্ত অতিক্রম করলে বিজিবি নৌ-টহল তা আটকায়। পরে তল্লাশিতে মাছ ধরার জালের ভেতর লুকানো প্লাস্টিক মোড়কে রাখা ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
একই সঙ্গে নৌকায় থাকা তিন জন পাচারকারীকে হাতেনাতে ধরা হয়। ধৃত আসামিরা হলেন- টেকনাফ সদর ইউনিয়নের উত্তর নাজিরপাড়া এলাকার বাসিন্দা নজির আহমেদের ছেলে আব্দুল্লাহ (৩০), হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. জহির আহমেদ (৫০), নজির আহমেদের ছেলে মো. কেফায়েত উল্লাহ (১৮)। এছাড়া একই এলাকার ইমাম হোসেন (৩০) নামের এক পাচারকারী পলাতক রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তারা মিয়ানমার থেকে আনা ইয়াবার চালানটি স্থানীয় চোরাকারবারি ইমান আলীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ৩০ হাজার টাকায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল। তবে চালান হস্তান্তরের আগেই বিজিবির হাতে ধরা পড়ে।
এবিষয়ে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি বলেন, বিজিবি সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে সবসময় কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ অভিযানও তারই অংশ। সীমান্ত দিয়ে মাদক প্রবেশের সব পথ বন্ধ করতে বিজিবি সর্বদা তৎপর থাকবে। পলাতক চোরাকারবারিদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উদ্ধারকৃত ইয়াবা ও গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের শেষে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।