কক্সবাজারে আবারও স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নিয়োগ প্রক্রিয়ার নজির স্থাপন করেছে জেলা পুলিশ। দীর্ঘ ট্রেনিং ও বাছাই প্রক্রিয়া শেষে কক্সবাজার জেলা থেকে ৩২ জন প্রার্থী ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) হিসেবে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) জেলা পুলিশ লাইন্সের ড্রিলশেডে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন কক্সবাজারের পুলিশ সুপার ও নিয়োগ বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. সাইফউদ্দীন শাহীন। এ সময় নিয়োগ বোর্ডের অন্যান্য সদস্যও উপস্থিত ছিলেন।
কক্সবাজার জেলা পুলিশ জানিয়েছেন, আগস্ট-২০২৫ ব্যাচের জন্য কক্সবাজার জেলায় মোট ১,৪৭৯ জন আবেদন করেছিলেন। প্রাথমিক ট্রেনিং শেষে ৮৯৩ জন শারীরিক মাপ ও সক্ষমতা যাচাই পরীক্ষায় অংশ নেন। তিন দিনব্যাপী এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৩৮৭ জন লিখিত পরীক্ষায় বসেন। লিখিত পরীক্ষায় সফল ৫৪ জন পরবর্তীতে মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন। সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ২৯ জন পুরুষ ও ৩ জন নারীসহ মোট ৩২ জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়।
ফলাফল ঘোষণার পর উত্তীর্ণ অনেক প্রার্থী আনন্দে আপ্লুত হয়ে পড়েন। জীবনের প্রথম বড় অর্জনের আনন্দে কেউ কেউ কান্নায় ভেঙে পড়েন। উপস্থিত অনেকে সেই আবেগঘন মুহূর্তে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন। নির্বাচিতরা কক্সবাজার জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সমাপনী বক্তব্যে পুলিশ সুপার মো. সাইফউদ্দীন শাহীন নবনিযুক্ত সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ জনগণের আস্থা ও সেবার প্রতীক। সততা, নিষ্ঠা, দেশপ্রেম ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করাই হবে আপনাদের প্রধান কর্তব্য।
আইজিপি বাহারুল আলম বিপিএমের সার্বিক দিকনির্দেশনা এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি মো. আহসান হাবীব পলাশের নিবিড় তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন এ নিয়োগ প্রক্রিয়াকে পুলিশ বিভাগে একটি অনুকরণীয় উদাহরণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।