কক্সবাজারের টেকনাফে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর বিশেষ অভিযানে ২ লাখ ৫৬ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার হয়েছে। এতে এক পাচারকারীকে আটক করা হলেও আরও তিনজন সীমান্ত অতিক্রম করে মিয়ানমারে পালিয়ে যায়।
বিজিবি জানায়, রামু সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোঃ মহিউদ্দীন আহমেদ, পিবিজিএম, বিজিবিএমএস, এসি-এর নির্দেশনায় টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে টেকনাফের খরেরমুখ চেকপোস্ট এলাকায় প্রথম অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি অটোরিকশা তল্লাশি করে যাত্রীর হাতে থাকা শপিং ব্যাগ থেকে বিশেষভাবে মোড়কজাত ১৬ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় এবং একজন পাচারকারীকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
একেইদিন রাত প্রায় ১২টা ৫০ মিনিটে নাফ নদীতে বিজিবির নৌ টহল দল আরেকটি বিশেষ অভিযান চালায়। এ সময় আন্তর্জাতিক সীমানা অতিক্রম করে তিনজনকে সাঁতরে বাংলাদেশ অংশে আসতে দেখা যায়। বিজিবি ধাওয়া করলে তারা পানিতে থাকা মাদকের প্যাকেট ফেলে দ্রুত মিয়ানমারের ভেতরে পালিয়ে যায়। পরে পানিতে ভাসমান অবস্থায় ২ লাখ ৪০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
আটককৃত আসামী কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকুল গ্রামের মোস্তাক আহম্মদ (৩৯), পলাতক টেকনাফের হ্নীলা এলাকার আব্দুর রহিম বাদশা (৪২), মোহাম্মদ আয়াজ ওরফে রুবেল (২৬) ও জসিম উদ্দিন (২৫) পালিয়ে যায়। এসময় ২ লাখ ৫৬ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট, দুটি মোবাইল ফোন, নগদ ৫ হাজার ৬৫ টাকা উদ্ধার করা হয়।
অভিযান পরিচালনাকারী টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান বলেন,মাদক পাচার রোধে বিজিবি সবসময় অঙ্গীকারবদ্ধ। সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান বন্ধে আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। আটককৃত আসামীকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।