কক্সবাজারে সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন নিশ্চিত করতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১৫। শুধু নিরাপত্তাই নয়, পূজার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বিশেষ মেডিক্যাল ক্যাম্পও চালু করা হয়েছে।
রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শহরের ঘোনারপাড়া কৃষ্ণানন্দধাম মন্দির পরিদর্শন করেন কক্সবাজার র্যাব-১৫ এর উপ-অধিনায়ক তৌহিদ ও সহকারী পরিচালক নুরুজ্জামান। এ সময় তাঁরা পূজা মণ্ডপ এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন এবং পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

র্যাব কর্মকর্তারা জানান, দুর্গাপূজা চলাকালীন সময়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে সেখানে বাড়তি নিরাপত্তা, মাদকপ্রবণ অঞ্চলে ড্রগ ও বিশেষ নজরদারি, ড্রোন ব্যবহার করে আকাশপথে নজরদারি এবং অতিরিক্ত টহল হয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে মোবাইল টহলও অব্যাহত থাকবে।
একই সঙ্গে মানবিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে মন্দির প্রাঙ্গণে র্যাব-১৫ এর মেডিক্যাল টিম বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করে। ক্যাম্পে সাধারণ পূজার্থীসহ নারী, শিশু ও প্রবীণদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হয়।
র্যাব-১৫ এর উপ-অধিনায়ক তৌহিদ বলেন, দুর্গাপূজা শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের উৎসব নয়, এটি এখন সর্বজনীন আনন্দ-উৎসবে পরিণত হয়েছে। তাই পূজার্থীদের নিরাপত্তার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবাও নিশ্চিত করতে র্যাব কাজ করছে। আমরা চাই সবাই নির্বিঘ্নে ও নিশ্চিন্তে উৎসব উদযাপন করুন। সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এবং মাদকপ্রবণ অঞ্চলে আমাদের নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব ও আনসার সদস্যদের সমন্বিত উদ্যোগে কক্সবাজারের প্রতিটি পূজা মণ্ডপে বহুমাত্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যাতে পূজার্থীরা নির্ভয়ে দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পারেন।