সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন

  • BengaliEnglishHindi
কক্সবাজারের উখিয়ায় শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তায় কক্সবাজার লাবনী পয়েন্টে বিসর্জন দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর ২০২৫) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রতিমা বিসর্জনের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, উখিয়া উপজেলার মোট ৯টি পূজা মণ্ডপের মধ্যে ৮টি মণ্ডপের প্রতিমা দুপুর আড়াইটার দিকে গুরা মিয়া পেট্রোল পাম্প এলাকা থেকে ট্রাকযোগে কক্সবাজার লাবনী পয়েন্টে নিয়ে যাওয়া হয়। এসময় উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসেন চৌধুরী ও উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জিয়াউল হক এর নেতৃত্বে পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও র‌্যাব সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন। কক্সবাজার লাবনী পয়েন্টে বিসর্জন দেওয়া উখিয়ার মণ্ডপ গুলো হলো- ১। উত্তর ধুরুমখালী পূজা মণ্ডপ, ২। কাশিয়ারবিল মন্দির পূজা মণ্ডপ, ৩। দারোগাবাজার উখিয়া সদর পূজা মণ্ডপ, ৪। বালুখালী হরি মন্দির পূজা মণ্ডপ, ৫। বালুখালী গীতা মন্দির পূজা মণ্ডপ, ৬। রুমখাঁ পূজা মণ্ডপ, ৭। কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প পূজা মণ্ডপ, ৮। হারাশিয়া খালকাচা পাড়া পূজা মণ্ডপ। অন্যদিকে উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের কাশিয়ারবিল হরি মন্দিরের প্রতিমা স্থানীয়ভাবে বিসর্জন দেওয়া হয়। বিকেল ৫টার দিকে মন্দির প্রাঙ্গণের পাশ্ববর্তী পুকুরে প্রতিমা বিসর্জনের কার্যক্রম শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। এসময় উখিয়া সেনা ক্যাম্পের সেনা সদস্য, উখিয়া থানা পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জিয়াউল হক বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিমা বিসর্জনের পুরো কার্যক্রম আমরা সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে সম্পন্ন করেছি। কোথাও কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সুযোগ দেওয়া হয়নি। সবার সহযোগিতায় উখিয়ায় পূজা ও বিসর্জন উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে।
নুরুল ইসলাম বিজয়, উখিয়া, কক্সবাজার। / ৫৪০ Time View
Update : সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
উখিয়ায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তায় প্রতিমা বিসর্জন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন

কক্সবাজারের উখিয়ায় শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তায় কক্সবাজার লাবনী পয়েন্টে বিসর্জন দেওয়া হয়।

কক্সবাজারের উখিয়ায় শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তায় কক্সবাজার লাবনী পয়েন্টে বিসর্জন দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর ২০২৫) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রতিমা বিসর্জনের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, উখিয়া উপজেলার মোট ৯টি পূজা মণ্ডপের মধ্যে ৮টি মণ্ডপের প্রতিমা দুপুর আড়াইটার দিকে গুরা মিয়া পেট্রোল পাম্প এলাকা থেকে ট্রাকযোগে কক্সবাজার লাবনী পয়েন্টে নিয়ে যাওয়া হয়। এসময় উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসেন চৌধুরী ও উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জিয়াউল হক এর নেতৃত্বে পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও র‌্যাব সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন।

কক্সবাজার লাবনী পয়েন্টে বিসর্জন দেওয়া উখিয়ার মণ্ডপ গুলো হলো- ১। উত্তর ধুরুমখালী পূজা মণ্ডপ, ২। কাশিয়ারবিল মন্দির পূজা মণ্ডপ, ৩। দারোগাবাজার উখিয়া সদর পূজা মণ্ডপ, ৪। বালুখালী হরি মন্দির পূজা মণ্ডপ, ৫। বালুখালী গীতা মন্দির পূজা মণ্ডপ, ৬। রুমখাঁ পূজা মণ্ডপ, ৭। কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প পূজা মণ্ডপ, ৮। হারাশিয়া খালকাচা পাড়া পূজা মণ্ডপ।

অন্যদিকে উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের কাশিয়ারবিল হরি মন্দিরের প্রতিমা স্থানীয়ভাবে বিসর্জন দেওয়া হয়। বিকেল ৫টার দিকে মন্দির প্রাঙ্গণের পাশ্ববর্তী পুকুরে প্রতিমা বিসর্জনের কার্যক্রম শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। এসময় উখিয়া সেনা ক্যাম্পের সেনা সদস্য, উখিয়া থানা পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জিয়াউল হক বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিমা বিসর্জনের পুরো কার্যক্রম আমরা সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে সম্পন্ন করেছি। কোথাও কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সুযোগ দেওয়া হয়নি। সবার সহযোগিতায় উখিয়ায় পূজা ও বিসর্জন উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর ২০২৫) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রতিমা বিসর্জনের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, উখিয়া উপজেলার মোট ৯টি পূজা মণ্ডপের মধ্যে ৮টি মণ্ডপের প্রতিমা দুপুর আড়াইটার দিকে গুরা মিয়া পেট্রোল পাম্প এলাকা থেকে ট্রাকযোগে কক্সবাজার লাবনী পয়েন্টে নিয়ে যাওয়া হয়। এসময় উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসেন চৌধুরী ও উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জিয়াউল হক এর নেতৃত্বে পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও র‌্যাব সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন।

উখিয়ায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তায় প্রতিমা বিসর্জন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্নকক্সবাজার লাবনী পয়েন্টে বিসর্জন দেওয়া উখিয়ার মণ্ডপ গুলো হলো- ১। উত্তর ধুরুমখালী পূজা মণ্ডপ, ২। কাশিয়ারবিল মন্দির পূজা মণ্ডপ, ৩। দারোগাবাজার উখিয়া সদর পূজা মণ্ডপ, ৪। বালুখালী হরি মন্দির পূজা মণ্ডপ, ৫। বালুখালী গীতা মন্দির পূজা মণ্ডপ, ৬। রুমখাঁ পূজা মণ্ডপ, ৭। কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প পূজা মণ্ডপ, ৮। হারাশিয়া খালকাচা পাড়া পূজা মণ্ডপ।

কক্সবাজারের উখিয়ায় শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তায় কক্সবাজার লাবনী পয়েন্টে বিসর্জন দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর ২০২৫) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রতিমা বিসর্জনের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, উখিয়া উপজেলার মোট ৯টি পূজা মণ্ডপের মধ্যে ৮টি মণ্ডপের প্রতিমা দুপুর আড়াইটার দিকে গুরা মিয়া পেট্রোল পাম্প এলাকা থেকে ট্রাকযোগে কক্সবাজার লাবনী পয়েন্টে নিয়ে যাওয়া হয়। এসময় উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসেন চৌধুরী ও উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জিয়াউল হক এর নেতৃত্বে পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও র‌্যাব সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন।

কক্সবাজার লাবনী পয়েন্টে বিসর্জন দেওয়া উখিয়ার মণ্ডপ গুলো হলো- ১। উত্তর ধুরুমখালী পূজা মণ্ডপ, ২। কাশিয়ারবিল মন্দির পূজা মণ্ডপ, ৩। দারোগাবাজার উখিয়া সদর পূজা মণ্ডপ, ৪। বালুখালী হরি মন্দির পূজা মণ্ডপ, ৫। বালুখালী গীতা মন্দির পূজা মণ্ডপ, ৬। রুমখাঁ পূজা মণ্ডপ, ৭। কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প পূজা মণ্ডপ, ৮। হারাশিয়া খালকাচা পাড়া পূজা মণ্ডপ।

অন্যদিকে উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের কাশিয়ারবিল হরি মন্দিরের প্রতিমা স্থানীয়ভাবে বিসর্জন দেওয়া হয়। বিকেল ৫টার দিকে মন্দির প্রাঙ্গণের পাশ্ববর্তী পুকুরে প্রতিমা বিসর্জনের কার্যক্রম শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। এসময় উখিয়া সেনা ক্যাম্পের সেনা সদস্য, উখিয়া থানা পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জিয়াউল হক বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিমা বিসর্জনের পুরো কার্যক্রম আমরা সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে সম্পন্ন করেছি। কোথাও কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সুযোগ দেওয়া হয়নি। সবার সহযোগিতায় উখিয়ায় পূজা ও বিসর্জন উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে।অন্যদিকে উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের কাশিয়ার বিল হরি মন্দিরের প্রতিমা স্থানীয়ভাবে বিসর্জন দেওয়া হয়। বিকেল ৫টার দিকে মন্দির প্রাঙ্গণের পাশ্ববর্তী পুকুরে প্রতিমা বিসর্জনের কার্যক্রম শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। এসময় উখিয়া সেনা ক্যাম্পের সেনা সদস্য, উখিয়া থানা পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জিয়াউল হক বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিমা বিসর্জনের পুরো কার্যক্রম আমরা সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে সম্পন্ন করেছি। কোথাও কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সুযোগ দেওয়া হয়নি। সবার সহযোগিতায় উখিয়ায় পূজা ও বিসর্জন উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
জনপ্রিয় সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ