১৪ ফেব্রয়ারি ২০২২ (সোমবার) বিশ্ব ভালোবাসা দিবস । ভালোবাসা দিবসের প্রধান উপহার ফুল। আর সে ফুলের মধ্যে সবার পছন্দ গোলাপ। তাও আবার লাল রঙের। এ দিনটিতে তরুণীরা সাজবে ক্রাউন পরে। ক্রাউন থাকবে মাথায়। ক্রাউনে ৫ থেকে ৬টি ফুল থাকবে। এ ফুলের মধ্যে প্রধানত থাকবে গোলাপ। চাহিদা মেটাতে তালার ফুলের দোকান গুলোতে ভালোবাসা দিবসে মজুত করেছে ৫ হাজার পিস লাল গোলাপ। প্রতি পিসের দাম ৩০ থেকে ৪০ টাকা।
তালায় ৩টা দোকান সেজেছে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে। ২০১৫ সালের ভালোবাসা দিবসে চাহিদা ছিল হলুদ গোলাপ। ২০১৮ সালে চাহিদা হয় সাদা গোলাপ। এরপর থেকেই চাহিদা লাল গোলাপের।
কৃষ্ণচূড়া, গোলাপ, চন্দ্রমলিঙ্কা, কাঠ গোলাপ, করবী, কলমী লতা, কলাবতি, কেয়া, গন্ধরাজ, চম্পা/চাপা, চামেলি, চেরি, জুই, জেসমি, টিউলিপ, ডালিয়া, দোপাটি, দোলনচাপা, নয়নতারা, পদ্ম, পপি, পলাশ, বকুল, বেলী, মাধবীলতা, মালতী, মোরগ, মৌসন্ধ্যা, রঙ্গন, রজনীগন্ধা, লিলি, শাপলা, শিউলি, শেফালী, শ্বেত চন্দন, সন্ধ্যা মালতী, সূর্যমুখী ফুল, হাসনাহেনা ফুল খুবই জনপ্রিয়।
সুগন্ধা ফুলঘর’র মালিক একান্ত সাহা জানান, গোলাপ প্রতি পিস ৩০ টাকা থেকে ৪০ টাকা এবং ক্রাউন ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকা দরে বিক্রি হবে। তার অভিযোগ গদখালী থেকে একশ’ পিস গোলাপ এলে তার অর্ধেক নষ্ট হয়ে যায়। এ কারণেই দাম বাড়াতে হয়। গদখালীর সিন্ডিকেট বিভিন্ন দিবস উপলক্ষে ফুলের দাম বাড়িয়ে দেয়।
তারা আরও জানান, ফেব্রয়ারি মাস শুরু হলেই বিভিন্ন দিবসকে কেন্দ্র করে ফুলের বেচাকেনা ভালোই হয়। তবে করোনার কারণে ফুল বিক্রয় হয়না বললেই চলে। ব্যবসায়ীদের বড় অঙ্কের লোকসান গুনতে হয়েছে। সে ধকল কাটিয়ে উঠা সম্ভব হয়নি। পাশাপাশি কৃত্রিম ফুলের আমদানির জন্য ফুল ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।
অন্যান্য বছর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস, একুশে ফেব্রুয়ারি, ১ ফাল্গুন, বাংলা নববর্ষ, বিশ্ব ভালবাসা দিবস, ঈদ-পুজায় কাঙ্খিত বেচা-কেনা হয়।