বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ১১:২৪ পূর্বাহ্ন

  • BengaliEnglishHindi
উখিয়াবাসীকে পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন: চেয়ারম্যান নুরুল হুদা
নিজস্ব প্রতিবেদক, উখিয়া। / ৩৩৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

প্রিয় রত্নাপালং ইউনিয়ন বাসী আসসালামুআলাইকুম,

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে উখিয়া উপজেলাবাসী ও দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও রত্নাপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব নুরুল হুদা ।

উখিয়াবাসীসহ দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সবাইকে জানিয়ে রাখছি পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। পবিত্র কুরআনে ঘোষিত রমজান মাস হচ্ছে ১২ টি মাসের মধ্যে সর্বোত্তম মাস। কারন এই মাসে আল্লাহর জন্য সবাই রোজা রাখে। সংযমের মাস, ধৈর্যের মাস, শান্তি- সম্প্রীতি, ত্যাগ এর মাস এই রমজান মাস বা রোযার মাস। এ মাসের আমল মহান আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রিয় এবং আল্লাহ এই মাসে কবর আযাব পর্যন্ত থামিয়ে দেন। পবিত্র রমজান মাস যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালনের পাশাপাশি যাবতীয় হিংসা-বিদ্বেষ, লোভ-লালসা, অন্যায়-অবিচার ও সংঘাত পরিহার করে রমজানের প্রকৃত শিক্ষা ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে প্রতিফলনের আহবান জানাই।

প্রাপ্ত বয়স্ক সবাইকে ইসলামী বিধান মোতাবেক রোজা পালন, নেক আমল, রোজাদার ব্যক্তিকে সম্মান প্রদর্শনের আহবান জানাচ্ছি। মহান আল্লাহ্তায়ালা আমাদের সবাইকে রোজা পালনের তওফিক দান করুন। সবাইকে মাহে রমজানের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।

শুভেচ্ছান্তে: জনাব নুরুল হুদা
চেয়ারম্যান ২নং রত্নাপালং ইউনিয়ন ও যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
উখিয়ায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তায় প্রতিমা বিসর্জন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন
কক্সবাজারের উখিয়ায় শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তায় কক্সবাজার লাবনী পয়েন্টে বিসর্জন দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর ২০২৫) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রতিমা বিসর্জনের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, উখিয়া উপজেলার মোট ৯টি পূজা মণ্ডপের মধ্যে ৮টি মণ্ডপের প্রতিমা দুপুর আড়াইটার দিকে গুরা মিয়া পেট্রোল পাম্প এলাকা থেকে ট্রাকযোগে কক্সবাজার লাবনী পয়েন্টে নিয়ে যাওয়া হয়। এসময় উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসেন চৌধুরী ও উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জিয়াউল হক এর নেতৃত্বে পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও র‌্যাব সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন। কক্সবাজার লাবনী পয়েন্টে বিসর্জন দেওয়া উখিয়ার মণ্ডপ গুলো হলো- ১। উত্তর ধুরুমখালী পূজা মণ্ডপ, ২। কাশিয়ারবিল মন্দির পূজা মণ্ডপ, ৩। দারোগাবাজার উখিয়া সদর পূজা মণ্ডপ, ৪। বালুখালী হরি মন্দির পূজা মণ্ডপ, ৫। বালুখালী গীতা মন্দির পূজা মণ্ডপ, ৬। রুমখাঁ পূজা মণ্ডপ, ৭। কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প পূজা মণ্ডপ, ৮। হারাশিয়া খালকাচা পাড়া পূজা মণ্ডপ। অন্যদিকে উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের কাশিয়ারবিল হরি মন্দিরের প্রতিমা স্থানীয়ভাবে বিসর্জন দেওয়া হয়। বিকেল ৫টার দিকে মন্দির প্রাঙ্গণের পাশ্ববর্তী পুকুরে প্রতিমা বিসর্জনের কার্যক্রম শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। এসময় উখিয়া সেনা ক্যাম্পের সেনা সদস্য, উখিয়া থানা পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জিয়াউল হক বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিমা বিসর্জনের পুরো কার্যক্রম আমরা সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে সম্পন্ন করেছি। কোথাও কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সুযোগ দেওয়া হয়নি। সবার সহযোগিতায় উখিয়ায় পূজা ও বিসর্জন উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে।
জনপ্রিয় সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ