মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৫ অপরাহ্ন

  • BengaliEnglishHindi
ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে দুর্গম সীমান্তে দায়িত্বরত বিজিবি সদস্য ও বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে বিজিবি মহাপরিচালক
প্রেস বিজ্ঞপ্তি / ৪২৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ এসপিপি, এনএসডব্লিউসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি অদ্য ১০ জুলাই ২০২২ তারিখ (ঈদের দিন) বিজিবি’র সরাইল রিজিয়নের আওতাধীন সুনামগঞ্জ ব্যাটালিয়ন সদর ও বন্যাদুর্গত দূর্গম সীমান্তবর্তী ডুলুরা বিওপি পরিদর্শন করেন এবং ডুলুরা বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের মাঝে ঈদের উপহার সামগ্রী ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।

পরিবার-পরিজনদের সাথে ঈদ উদযাপনের আনন্দ উৎসর্গ করে দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত সুরক্ষার সুমহান দায়িত্বে নিয়োজিত বিজিবি সদস্যদের মনোবল দৃঢ়করণ এবং তাদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশলাদি বিনিময়ের জন্য বিজিবি মহাপরিচালক আজকের এই ঈদের দিনে সুনামগঞ্জের দুর্গম সীমান্তবর্তী ডুলুরা বিওপি পরিদর্শন। এমন একটি বিশেষ দিনে মহাপরিচালককে কাছে পেয়ে দুর্গম সীমান্তে দায়িত্বরত বিজিবি সদস্যগণ আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে। পরিদর্শনকালে বিজিবি মহাপরিচালক সেখানে নিয়োজিত সকল বিজিবি সদস্যদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশলাদি বিনিময় করেন। দূর্গম সীমান্তে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও দক্ষতা ও সাফল্যের সাথে দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি বিজিবি সদস্যদের ধন্যবাদ ও আন্তরিক অভিনন্দন জানান। একইসাথে তাদেরকে দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা, সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে পবিত্র দায়িত্ব পালনের জন্য বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।

এরপর বিজিবি মহাপরিচালক সুনামগঞ্জ ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার শলুকাবাদ ইউনিয়নের দুর্গম সীমান্তবর্তী বন্যাদুর্গত পূর্ব ডুলুরা গ্রামের ৫০০টি অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদের উপহার সামগ্রী হিসেবে গরুর মাংস, পোলাও চাল, সেমাই, চিনি, কিসমিস, বাদাম ও মসলা এবং ত্রাণসামগ্রী হিসেবে চাল, ডাল, তেল, লবণ এবং বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করেন।

এরপরে বিজিবি মহাপরিচালক সুনামগঞ্জ ব্যাটালিয়ন সদরে সকল সদস্যের সাথে প্রীতিভোজে অংশগ্রহণ করেন এবং বিকেলে ঢাকা প্রত্যাবর্তন করেন।

উল্লেখ্য এই পরিদর্শনকালীন বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
উখিয়ায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তায় প্রতিমা বিসর্জন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন
কক্সবাজারের উখিয়ায় শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তায় কক্সবাজার লাবনী পয়েন্টে বিসর্জন দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর ২০২৫) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রতিমা বিসর্জনের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, উখিয়া উপজেলার মোট ৯টি পূজা মণ্ডপের মধ্যে ৮টি মণ্ডপের প্রতিমা দুপুর আড়াইটার দিকে গুরা মিয়া পেট্রোল পাম্প এলাকা থেকে ট্রাকযোগে কক্সবাজার লাবনী পয়েন্টে নিয়ে যাওয়া হয়। এসময় উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসেন চৌধুরী ও উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জিয়াউল হক এর নেতৃত্বে পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও র‌্যাব সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন। কক্সবাজার লাবনী পয়েন্টে বিসর্জন দেওয়া উখিয়ার মণ্ডপ গুলো হলো- ১। উত্তর ধুরুমখালী পূজা মণ্ডপ, ২। কাশিয়ারবিল মন্দির পূজা মণ্ডপ, ৩। দারোগাবাজার উখিয়া সদর পূজা মণ্ডপ, ৪। বালুখালী হরি মন্দির পূজা মণ্ডপ, ৫। বালুখালী গীতা মন্দির পূজা মণ্ডপ, ৬। রুমখাঁ পূজা মণ্ডপ, ৭। কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প পূজা মণ্ডপ, ৮। হারাশিয়া খালকাচা পাড়া পূজা মণ্ডপ। অন্যদিকে উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের কাশিয়ারবিল হরি মন্দিরের প্রতিমা স্থানীয়ভাবে বিসর্জন দেওয়া হয়। বিকেল ৫টার দিকে মন্দির প্রাঙ্গণের পাশ্ববর্তী পুকুরে প্রতিমা বিসর্জনের কার্যক্রম শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। এসময় উখিয়া সেনা ক্যাম্পের সেনা সদস্য, উখিয়া থানা পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জিয়াউল হক বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিমা বিসর্জনের পুরো কার্যক্রম আমরা সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে সম্পন্ন করেছি। কোথাও কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সুযোগ দেওয়া হয়নি। সবার সহযোগিতায় উখিয়ায় পূজা ও বিসর্জন উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে।
জনপ্রিয় সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ